নিহত তনিফা ছিলেন মিরপুর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সহ-মুখপাত্র

চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১০ জনের একজন তানিফা আহমেদ। তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন মিরপুর মডেল থানার সহ-মুখপাত্র ছিলেন।
মামা রফিকুল ইসলাম ও তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বুধবার চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার যাওয়ার পথে এ দুর্ঘটনার শিকার হন তানিফা। বুধবার রাতে সংগঠনটির আরেক মুখপাত্র উমামা ফাতেমা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এ খবর নিশ্চিত করেন।
উমামা ফাতেমা তার স্ট্যাটাসে জানান, তানিফা আহমেদ ছাত্র আন্দোলনের প্রতি দৃঢ় প্রতিজ্ঞ ছিলেন এবং তার কাজের প্রতি নিষ্ঠা ও একনিষ্ঠতা নিয়ে তিনি সবসময় তার দায়িত্ব পালন করতেন।
তানিফার আকস্মিক মৃত্যুর সংবাদটি সংগঠনটির সদস্যদের মাঝে গভীর শোকের সৃষ্টি করেছে। উমামা ফাতেমা আরও জানান, তানিফা আহমেদ শুধু আন্দোলনটির একজন নেতা ছিলেন না, তিনি বিশ্বাস ও আদর্শের জন্য কাজ করে গেছেন। তার অকাল চলে যাওয়া সংগঠনটির জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি বলে উল্লেখ করেন তিনি।
দুর্ঘটনায় তনিফার মামা ঢাকার মিরপুর এলাকার বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম (৪৮), মামী লুৎফুন নাহার (৩৭), মামাতো বোন আনিশা আক্তার (১৪) ও লিয়ানা (৮) নিহত হন। আরেক মামাতো বোন তাসনিমা ইসলাম প্রেমা গুরুতর আহত হয়ে ভর্তি আছেন চমেক হাসপাতালের আইসিইউতে। গতকাল বুধবার সকালে লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি জাঙ্গালিয়া এলাকায় চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়কে বাস–মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে এ ঘটনা ঘটে।
ঈদের ছুটিতে রফিকুল–লুৎফুন দম্পতি তাদের তিন সন্তান ও ভাগ্নি তনিফাসহ পর্যটন শহর কক্সবাজারে ঘুরতে যাচ্ছিলেন। যাওয়ার পথে এই দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের মরদেহ গতকাল রাতে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।