আলাদা অফিস ভারা করে ঘুষের লেনদেন করেন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও রাজস্ব কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর

এবি সিদ্দীক ভূইঁয়া :প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের সাথে সম্পৃক্ত থেকে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে চাকুরী দিয়ে কোটি কোটি টাকার বাণিজ্য করেন আলাদা অফিস নিয়ে। এছাড়াও বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠান, কলকারখানা, সমাজের প্রথম শ্রেণীর ধনী ব্যক্তিদের সম্পদ কম দেখিয়ে সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে নিজের নির্ধারিত ফি নিয়ে সম্পদ কম দেখিয়ে রাজস্ব আদায় সহ বিভিন্ন অভিযোগে অভিযুক্ত
কাস্টমস্, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট এর টঙ্গী-জোন-২ কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম।
কাস্টমস্, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট টঙ্গী-জোন-২ এর আওতাভুক্ত সকল কর্মরত কর্মকর্তা- কর্মচারিদের মাধ্যমে বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠান, কলকারখানা, সমাজের প্রথম শ্রেণীর ধনী ব্যক্তিদের সম্পদ কম দেখিয়ে সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে নিজের নির্ধারিত ফি নিয়ে নেন।
এখানে ছোট, মাঝারি,বড় শিল্প প্রতিষ্ঠান,কলকারখানার মহাজনরা কর্মরত কর্মকর্তা কর্মচারিদের মাধ্যমে তার নির্ধারিত ফি অতিরিক্ত নগদ ১ লক্ষ ২৩ হাজার ৭শত টাকা ঘুষ নেন।কোন কোন ক্ষেত্রে সরাসরি কলকারখানার মহাজনের কাছ থেকেও নেন বলে অভিযোগ রয়েছে।সকল শিল্প কলকারখানার ফি এক রকম নয় এখানেও ভিন্নতা রয়েছে।সরকারি রাজস্ব কম দিয়ে বেঁচে যায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মহাজনরা। তার নির্ধারিত ফ্রি না দিলেই বিভিন্ন হয়রানির শিকার হতে হয় বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানের মহাজনদের। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালীন সময় বিএনপি, জামাতের শিল্প প্রতিষ্ঠানের মহাজনদের নানা বিধি হয়রানির শিকার হতে হয়েছে একর্মকর্তার কাছে থেকে। অথচ অদৃশ্য শক্তির বলে বহাল তবিয়তে রয়েছেন এ কর্মকর্তা। ছাত্র জনতার আন্দোলনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ,শ্রমিক লীগকে অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করেছেন বলে অভিযোগ! থাকা সত্ত্বেও রয়েছে বহাল তবিয়তে।সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে থাকা আওয়ামীলীগের অনুসারীরা গভীর ষড়যন্ত্রের জাল বুনছেন তাদের মধ্যে তিনি অন্যতম। কারন আর স্ত্রীর ভাইয়ের ছেলে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক।
অনুসন্ধান সূত্রে জানা যায়, কাস্টমস্, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট এর টঙ্গী-জোন-২ কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলমের গ্রামের বাড়ি বরগুনা জেলার বেতাগী উপজেলার ১ নং বিবিচিনি ইউনিয়নের, ফুলতলা গ্রামের ৪ নং ওয়ার্ডের কাশেম আলী (লঞ্চের কেরানী )। অত্যন্ত গরিব ঘরের সন্তান হওয়ার সুবাদে রাতারাতি কোটিপতি হওয়ার স্বপ্নে বিভোর হয়ে নানা বিধি কার্যক্রম পরিচালনা করে জ্ঞাত আয় বহিভূত সম্পদ অর্জন করে ফেলেন। এ আয়ের প্রধান দুটি একটি হল চাকরি দেওয়া অন্যটি হলো সরকারের নির্ধারিত রাজস্ব আদায় না করে।
কর্মস্থলে বসে অবৈধভাবে ঘুষ নেয়া।
আরো অনুসন্ধান সূত্রে জানা যায়, মোঃ বিল্লাল হোসেন পিতা জাহাঙ্গীর চাকরি দিয়েছেন বরিশাল জজ কোর্টে । মো:মিরাজ পিতা হাবিব শরীফ চাকরি দিয়েছেন বাকেরগঞ্জ রেজিস্ট্রি অফিসে। গ্রামের বাড়ি বাকেরগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতি। (উল্লেখ্য ফুলতলা শরিফ বাড়ির আলী শরীফের ভাগ্নে)।শরীফের আত্মীয় এই জাহাঙ্গীর। বেতাগী উপজেলার ফুলতলা গ্রামের হালিম শেখের সন্তান মোঃ ইলিয়াস শেখ, সালমা বেগম (স্বামী পাভেল হাওলাদার) তাদের ভাই বোনকে রেলওয়েতে( ঢাকার কোটায়) চাকরি দিয়েছেন । উল্লেখ্য বিষয় হল জাহাঙ্গীরের বোন দেলোয়ারা বেগম স্বামী ইউনুস তালুকদার তার বাড়ি ঢাকার সিপাই বাগ সেই ঠিকানা উল্লেখ করে এদের চাকরি হয়। আলতাফ সিকদারের দুই ছেলেকে চাকুরী দেন।আনোয়ার সিকদারকে ঢাকা মিটফোর্ড হাসপাতালে। আলমগীর সিকদারকে ঢাকার শ্যামলী মেন্টাল হাসপাতালে চাকুরী দেন। আমজাদ শিকদারের দুই ছেলেকে চাকুরী দেন। ছেলে রুবেল সিকদার, রাজস্ব বোর্ডে। অন্য ছেলে এনামুল শিকদারকে চাকুরী দেন কর্ম কমিশনে। আলী শরীফ কে চাকরি দিয়েছেন শ্যামলী হাসপাতলে সেখানেও বয়স কমিয়ে চাকরি দিয়েছেন।সকলের কাছ থেকেই লক্ষ লক্ষ টাকা নিয়েছেন।
তার বিনিময় চাকরি পেয়েছেন । তার বোনের মেয়ে দুলিয়াকে চাকরি দেন বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে। এখানেই শেষ নয় জাহাঙ্গীর বিবাহ করেছেন বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার কাকচিড়া, লেমুয়া গ্রামে। বিবাহর পরে পরে তার নিজ স্ত্রী আনুকেও চাকরি দিয়েছেন বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর অডিট শাখায়। স্ত্রীর বড় ভাই এর ছেলে বাকির কে চাকুরী দিয়েছেন রেলওয়েতে। স্ত্রীর ছোট ভাই পলাশ কে ব্যাংকে।নিজ ইউনিয়নে ৪৫ জনকে চাকরি দিয়েছেন। আত্মীয়-স্বজনদের চাকরি দিয়েও নিয়েছেন অর্থ।বিভিন্ন জেলার আঞ্চলিক কোটায়,সার্টিফিকেটে বয়স কমিয়ে,মুক্তিযোদ্ধার সন্তান না হয়েও মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি দিয়েছে ভুয়া সনদ তৈরি করে । তাই নিজ এলাকায় প্রশ্ন উঠেছে যারা যেখানি চাকরি নিয়েছেন।নিয়োগ পরীক্ষার আগেই নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র হাতে পেয়েছেন। তাই প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের সাথে সম্পৃক্ত রয়েছেন বলে জানান এলাকাবাসী।
অনুসন্ধান সূত্রে আরো জানা যায়, ঢাকা উত্তরার ৩ নং সেক্টরের ২ নং রোড,হাউস ১/সি ২য় তলায় অবৈধ লেনদেনের জন্য আলাদা অফিস ছিল তার।স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার পতনের পরে আলাদা ভাড়াকৃত অফিস রুমটি ছেড়ে দেন জাহাঙ্গীর ।
স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার পুরো আমল জুড়ে এ কর্মকর্তা গুরুত্বপূর্ণ পদে বহাল থেকে ফয়দা লুটেছেন। এ কর্মকর্তার সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামীলীগের নেতাদের সঙ্গে ছিল নিবিড় সম্পর্ক। এ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ দিলে আমল নিতো না কেউ কারণ আওয়ামী লীগের প্রিয়জনের তালিকায় তিনি । কাস্টমস্, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট টঙ্গী-জোন-২ কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আওয়ামী লীগের প্রেতাত্মা বতর্মানেও ছাত্র জনতার মহান উদ্দেশ্যকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য এখনো সক্রিয় রয়েছেন।
সূত্র জানায়, স্বৈরাচার সরকারের পতনের আগ পর্যন্ত অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থের একটি অংশ এ কর্মকর্তা যে কোন উপায় পৌঁছে দিতেন সাবেক মন্ত্রীর কাছে। কোন কোন সময় বাসায় বাজার পর্যন্ত পৌঁছে দিতেন বলেও জানা গেছে।সাবেক ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার স্বৈরাচারী সরকারের অনেক দোসরদের সঙ্গে এ কর্মকর্তার প্রতিনিয়ত যোগসাজস রয়েছে বলে সূত্র থেকে জানা গেছে।
আওয়ামী লীগের সিন্ডিকেট গঠন করে দেন কলকারখানায়।সেখান থেকে অবৈধভাবে অর্থ উপার্জন করার ব্যবস্থা করে দেন। সেখান থেকেও ভাগ পেতেন এ কর্মকর্তা। এছাড়াও নানাভাবে টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ ছিল তার বিরুদ্ধে।নামে বেনামে রয়েছে সম্পদের পাহাড়! সকল অপরাধ থেকে রেহাই পেয়ে যায়। আওয়ামী লীগের অনুসারী হওয়ার সুবাদে এই কর্মকর্তা।ছাত্র জনতার আন্দোলনের মুখে স্বৈরাচার আওয়ামী সরকারের প্রধান শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পর থেকেই নিজের অবস্থান পরিবর্তন করে শুর পাল্টে ফেলার চেষ্টা চালিয়ে যায় । একটি সুত্র জানায়, নতুন চেয়ারম্যান আসার সাথে সাথে নিজের অবস্থান পরিবর্তন করে শুর পাল্টে ফেলে কাস্টমস্, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট টঙ্গী-জোন-২ কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর।এখনও চাকুরীতে বহাল তবিয়তে রয়েছেন এ কর্মকর্তা ।
এখানেই থেমে নেই বিভিন্ন কল কারখানায় অবৈধভাবে অনৈতিক অর্থ দাবি করেন।
চাকরি নিয়েছেন এমন এক পরিবারের কাছে জানতে চাইলে তিনি নাম না প্রকাশ করার শর্তে বলেন, তাকে টাকা দিলে যেকোনো দপ্তরে চাকরি পাবে আমার দুই ছেলকে চাকরি দিয়েছেন তিনি।আপন আত্মীয়-স্বজনের কাছ থেকেও টাকা নিয়েছেন। তিনি না খেলেও আরো স্যার রয়েছে তাদেরকে দিতে হয়।
তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে দুদকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন,কাস্টমস্, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট টঙ্গী-জোন-২ কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর অত্যন্ত সাধারণ ঘর থেকে উঠে আসা এক জন কর্মকর্তা কীভাবে এতো সম্পদের মালিক হয়েছেন,তিনি কি করে এত মানুষেকে বিভিন্ন দপ্তরে চাকরি দিয়েছেন। সেটাই আমাদের অনুসন্ধানের লক্ষ্য হওয়া উচিৎ। আমাদের কাছে যদি কেহ অভিযোগ করে তা হলে তদন্তের মাধ্যমে আইনের আওতায় এনে আইনআনুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
অল্প সময়ের ব্যবধানে প্রচুর সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। অসৎ উপার্জনের প্রধান মাধ্যম হিসেবে তিনি ব্যবহার করেছেন। নিকট আত্মীয় স্বজনের নামে সম্পত্তি ক্রয় করেছেন এ কর্মকর্তা।কাস্টমস্, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট এর একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে তাদের হতাশা প্রকাশ করে সংবাদমাধ্যমকে জানান, দুর্নীতি অনিয়ম ও এমন চিত্র প্রকাশ হওয়ায় কাস্টমস্, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট এর মত একটি গৌরব উজ্জ্বল প্রতিষ্ঠান কলঙ্কিত হওয়ার শামিল। তার বিরুদ্ধে কোন প্রকার ব্যবস্থা না নেওয়ায় কারন তারা আওয়ামী লীগের প্রিয় ব্যক্তি হওয়া সুবাদে পার পেয়ে যায়।
কাস্টমস্, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট টঙ্গী-জোন-২ কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর তার বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও কোন প্রকার বক্তব্য না দিয়ে সাংবাদিকদের দেখে নেওয়ার হুমকি দেন ।
বৈষম্য বিরুদ্ধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা বলেন,কাস্টমস্, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট টঙ্গী-জোন-২ কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আওয়ামী লীগের প্রেতাত্মা তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গুলো আমলে নিয়ে । তাকে বরখাস্ত করে আইনের আওতায় এনে বিচারের ব্যবস্থা করতে হবে।সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের চাকরির নিয়োগ পরীক্ষার।তাহার প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের সাথে জড়িত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। আওয়ামী লীগের লোক! হওয়ার সুবাদে সুবিধা জনক স্থানেই চাকরির বেশি ভাগ সময় পার করেছেন।
তার নিজ এলাকায় একাধিক ব্যক্তি নাম না প্রকাশ করার শর্তে বলেন, আওয়ামী লীগের রাজনীত সাথে জড়িত তার পরিবার। তার স্ত্রীর ভাইয়ের ছেলে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক। তিনিও ছাত্র অবস্থায় আওয়ামী লীগের ছাত্র রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন । সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের চাকরির নিয়োগ পরীক্ষার।তাহার প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের সাথে জড়িত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ সেটা সত্য।একথা গুলো তার নিজ এলাকায় বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে জানাযায়। আওয়ামী লীগের তথ্য সন্ত্রাসী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে বিভিন্ন প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে।এদের মূল উদ্দেশ্যই হলো ছাত্র জনতার মহান উদ্দেশ্যকে প্রশ্নবিদ্ধ করা।
এ বিষয়ে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড.ইফতেখারুজ্জামান বলেন, সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের চাকরির নিয়োগ পরীক্ষার।প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে।তাহার সাথে জড়িত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।অবৈধভাবে টাকা উত্তোলন এটি কোন ছোট্ট অপরাধ নয়।দুর্নীতি কখনো ছোট বড় নয় দুর্নীতি তো দুর্নীতিই সেটি যেমনই হোক। ছোট ছোট দুর্নীতি থেকেই বড় বড় দুর্নীতির জন্ম দেয়। দুদক আগের চেয়ে ভালো কাজ করছে এতে কোনো সন্দেহ নেই। দুদকের দুর্নীতির বিষয়ে আর বিশদ অনুসন্ধান প্রয়োজন। একইসঙ্গে দুদকের জনবলেরও ঘাটতি রয়েছে সেগুলোর সমাধান প্রয়োজন। কেননা যে তুলনায় দুর্নীতির অভিযোগ আসে সেই তুলনায় দুদক অনুসন্ধান করতে পারে না। যদি সকল দুর্নীতি দুদক অনুসন্ধান করতে পারতো তাহলে দুর্নীতি অনেকাংশে কমে আসত। তবে আমরা আশাবাদী দুর্নীতিবাজদের শিকড় উপড়ে ফেলা সম্ভব সেটি একদিন হবেই।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান বলেন,আমরা অনেক দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান করছি। সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের চাকরির নিয়োগ পরীক্ষার।তাহার প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের সাথে জড়িত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে কি না জানা নেই । যদি আরো অভিযোগ পাই সেটাও তদন্তের মাধ্যমে আইন আনুগব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। যারাই অপরাধ করুক না কেন আমাদের অনুসন্ধানে যদি কোনোভাবে প্রমাণিত হয়।’তবে আমরা তাদের বিরুদ্ধে মামলা করব এবং প্রয়োজনীয় যত ব্যবস্থা আছে তা নেব। কোনো দুর্নীতিবাজকে ছাড় দেওয়া হবে না।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড চেয়ারম্যান মোঃ আবদুর রহমান খান (এফসিএমএ) বলেন, আলাদা অফিস নিয়ে কাজ করার কোন সুযোগ নেই। যদি করে থাকেন তাহলে সেটা অপরাধ। যে টাকা নিয়েছে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দিন। অভিযোগ গুলো তদন্তের মাধ্যমে প্রমাণিত হলে আইনের আওতায় এনে বিচারের ব্যবস্থা করা হবে।